Ahamed Minto

Full Stack Developer

React Developer

Angular Developer

NodeJS Developer

Flutter developer

Ionic Developer

C# WebAPI Developer

PHP Developer

Marathon runner

.Net Core Developer

Ahamed Minto

Full Stack Developer

React Developer

Angular Developer

NodeJS Developer

Flutter developer

Ionic Developer

C# WebAPI Developer

PHP Developer

Marathon runner

.Net Core Developer

Blog Post

ব্যাংকিংয়ে AI আর জীবনের জন্য হাঁটা-Artificial Intelligence (AI) in Banking ট্রেনিং

December 12, 2024 Blog post
ব্যাংকিংয়ে AI  আর জীবনের জন্য হাঁটা-Artificial Intelligence (AI) in Banking ট্রেনিং

লম্বা দূরত্বে হাঁটা আমার জন্য কষ্টের কিছু না। কারণ আমি হাঁটার সুযোগ পেলে তা কখনো মিস করি না। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সকালে শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমির আয়োজনে Artificial Intelligence (AI) in Banking ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের মাধ্যমে। ট্রেনিং ছিল দারুণ। বক্তারা এআই-এর ব্যবহার নিয়ে একের পর এক উদাহরণ তুলে ধরলেন।

প্রথম সেশনে Md. Motior Rahman, Director (ICT), BBTA, আমাদের “Introduction to Artificial Intelligence in Banking” বিষয়ে ধারণা দিলেন। তিনি এআই কীভাবে ব্যাংকিং সিস্টেমকে স্বয়ংক্রিয় ও কার্যকরী করছে, সে বিষয়টি অসাধারণভাবে তুলে ধরেন।

পরবর্তী সেশনে Md. Masud Rana, Additional Director, BBTA, আলোচনা করেন Preventing Fraud and Money Laundering by AI বিষয় নিয়ে। তার কথায় উঠে আসে, কীভাবে এআই রিয়েল-টাইমে সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করতে পারে এবং ব্যাংকিং খাতকে আরও সুরক্ষিত করতে পারে।

দুপুরের পর Md. Razaul Karim, Joint Director (ICT), BBTA, উপস্থাপন করেন Natural Language Processing (NLP) and Deep Learning for Banking। তিনি দেখান, কীভাবে NLP ব্যাবহার করে ব্যাঙ্কিং সেবা আরো উন্নত করা যায় এবং এআই ব্যাংকিং সেবায় গ্রাহকের অভিজ্ঞতা আরও ভালো করতে পারে।

শেষ সেশনে Md. Ashraful Alam, Managing Director, SPCBL, উপস্থাপন করেন AI-Based Bank Supervision তিনি এআই কীভাবে ব্যাংকিং সুপারভিশনের কাজ সহজ ও স্বচ্ছ করছে, তা ব্যাখ্যা করেন।

ট্রেনিং শেষ হতে হতে সন্ধ্যা নেমে এলো। ব্যাগ থেকে রানিং টিশার্ট বের করে পরে নিলাম। মিরপুরের ভিড় ঠেলে হাঁটা শুরু করলাম। রাস্তায় জ্যাম, ফুটপাথ হকারদের দখলে, চারপাশে মানুষের ভিড়। মিরপুর! দারুণ এক কোলাহলময় এলাকার নাম।

যাই হোক, গুগল ম্যাপ বলছে, গুলশানে পৌঁছাতে হলে প্রায় ১০ কিলোমিটার হাঁটতে হবে। হাঁটতে হাঁটতে যখন কচুক্ষেত পৌঁছালাম, খেয়াল করলাম আকাশে এক টুকরো ক্ষয়ে যাওয়া চাঁদ আলো ছড়াচ্ছে। বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম। হোঁচোট খেয়ে পরার ভয়ে বেশি ক্ষণ আকাশের দিকে তাকিয়ে হাঁটার রিস্ক নিলাম না।

ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ঢুকতেই ভিড় কিছুটা কমে গেল। রাস্তা অনেকটা ফাঁকা, বাতাসও বেশ ঠাণ্ডা। হাঁটার গতি বাড়ালাম। বনানী পেরিয়ে গুলশান ২-এর রাস্তা ধরে যখন গুলশান ১-এ পৌঁছালাম, হাঁটা শেষ। ঘড়িতে তাকিয়ে দেখি, প্রায় ১০.৩ কিলোমিটার।

ট্রেনিং চলাকালীন সময়ে বারবার মনে হচ্ছিল, এআই আমাদের কাজের চাপ কমিয়ে দিচ্ছে এবং জীবন সহজ করছে। কিন্তু শরীরকে সুস্থ রাখতে দৌড়ানো বা হাঁটার বিকল্প নেই। ভবিষ্যতে হয়তো এআই আরও উন্নত হবে, সবকিছু করে দেবে। কিন্তু নিজেকে সুস্থ রাখার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরকেই নিতে হবে।

এআই যত আধুনিকই হোক না কেন, নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে দৌড়ানো আর হাঁটার অভ্যাস ধরে রাখতে হবে। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম, যতদিন সম্ভব, আমার এই দৌড় বা হাঁটার অভ্যাস থামবে না।

Taggs:
Write a comment